বৃষ্টি হওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
32:27 নং আয়াহ : তারা কি দেখে ১ না যে, আমরা (বায়ু দ্বারা) বৃষ্টিকে বহন করে নিয়ে যাই বায়ু শূন্য/ নিম্নচাপ যুক্ত ভূমিতে। তারপর তা (বৃষ্টির পানি) দ্বারা বের করি শস্য। তা (শস্য) হতে খায় তাদের পশুগুলো এবং তারা নিজেরাও। তবুও কি তারা দেখবে না/ চিন্তা ভাবনা ২ করবে না??
১ এটা আরবি বাক রীতি। যার অর্থ- পর্যবেক্ষণ করা বা গবেষণা করা। এখানে ‛দেখা’ বলতে- চোখ দিয়ে দেখা নয়।
২ বৃষ্টি কেন হয়?? এর অন্যতম একটা কারণ হল- ভূমিতে লাগাতার সূর্য তাপ পড়ার কারণে সেখানকার বায়ু গরম হয়ে উপরে উঠে যায় এবং যেখানে নিম্ন চাপের সৃষ্টি হয়। গরম বায়ু সমুদ্রে পৌঁছে যায়। কেননা, সমুদ্র তুলনামূলক ভাবে শীতল।
তারপর সমুদ্রে উচ্চ চাপ সৃষ্টি হয়। তারপর যে ভূমিতে নিম্ন চাপ সৃষ্টি হল, সেই খালি স্থান দখল করার জন্য সমুদ্র হতে বায়ু আসবে। আসার সময় বাষ্প সঙ্গে নিয়ে আসবে। তারপর বৃষ্টি শুরু হবে।
এখানে পবিত্র কুরআন তাই বলছে। ভারত উপমহাদেশ সহ পৃথিবীর বহু জায়গায় এভাবেই বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। ভারত উপমহাদেশে যে বায়ু বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে মৌসুমী বায়ু বলা হয়। এখানে অবাক করা ব্যাপার হল- মৌসুমী বায়ুকে চিহ্নিত করেছিলেন মুসলীম বিজ্ঞানীরাই। মৌসুমী শব্দটাই আরবি শব্দ। যার অর্থ ঋতু বা বৃষ্টির ঋতু।