৯০ নং সূরাহ | সূরাহ বালাদ | Surah no 90 | Surah Balad |

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। 

অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে পড়া শুরু করছি, যিনি সীমাহীন দয়ালু এবং সীমাহীন করুণাময়।

নাযিল : মাক্কাহ, আয়াত : 20 টি।

মাক্কাহ নগরীর শপথ।

90:1 নং আয়াহ : না, আমি শপথ করছি এই নগরীর [95:3]।

মাক্কাহ বিজয়ের ভবিষ্যৎ বাণী।

90:2 নং আয়াহ : আর আপনি এই নগরীর ১ হালাল/ বৈধ অধিকারী [110:1-2] হবেন।

১ যে জনপদে/ নগরে আপনার উপর এত অত‍্যাচার হচ্ছে, যেখানে আপনাকে বয়কট করা হচ্ছে, যেখান থেকে আপনাকে নির্বাসিত করার করার চিন্তা ভাবনা চলছে, অবশ্যই আপনি একদিন এই নগরীর হালাল/ বৈধ অধিকারী হবেন।

পিতাই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

90:3 নং আয়াহ : শপথ পিতার ১ এবং যা জন্ম দিয়েছে তা‌র (সন্তানের)।

১ পিতা তো জন্ম দেয় না, তাহলে তার শপথ করা হচ্ছে কেন?? পিতার শুক্রাণু‌ দ্বারা সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়, তাই এখানে পিতার শপথ করা হচ্ছে। বিস্তারিত 53:45-46 এ তে রয়েছে।

# তাহলে কি ইসলামে পিতার গুরুত্ব বেশি?? একটা হাদীশ  দেখুন, নিজেই বুঝতে পারবেন- “তোমার মায়ের দুই পায়ের নিচে তোমার জান্নাত”(নাসাঈ, হাদীস 3104)। বুঝলেন??

গর্ভজনিত বিপদের মধ্যে দিয়ে মানুষের সৃষ্টি।

90:4 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই আমরা মানুষ‌কে সৃষ্টি করেছি (গর্ভজনিত) বিপদের [31:14] মধ্যে দিয়ে।

মানুষ নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে।

90:5 নং আয়াহ : সে কি মনে করেছে যে, তার চেয়ে ক্ষমতাবান [41:15] আর কেউ নেই??

অর্থের অহংকার ও অর্থ অপচয় হারাম।

90:6 নং আয়াহ : সে বলে- “আমি প্রচুর পরিমানে ধনসম্পদ উড়িয়ে [17:27] দিয়েছি”।

আল্লাহ সবার উপর দৃষ্টি রাখেন।

90:7 নং আয়াহ : সে কি মনে করে যে, তাকে কেউই দেখে [84:15] নি??

মাতৃগর্ভে আগে চোখ গঠন শুরু হয়।

90:8 নং আয়াহ : আমরা কী তাকে (দেখার জন্য) দুটি চোখ দিই নি??

# মাতৃগর্ভে ছয় সপ্তাহ বয়সেই দুই চোখ গঠনের কাজ শুরু হয়ে যায়। তারপর জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট গঠনের কাজ শুরু হয়।

মাতৃগর্ভে চোখের পর জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট গঠন শুরু হয়

90:9 নং আয়াহ : এবং (কথা বলার জন্য) একটি জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট প্রদান করি নি??

# মাতৃগর্ভে সাত-আট সপ্তাহ বয়সে মুখমন্ডল তথা জিহ্বা ও ঠোঁটের গঠন শুরু হয়।

পথ দুটি, জান্নাতের পথ ও জাহান্নামের পথ।

90:10 নং আয়াহ : এবং আমরা কী তাকে দুটি পথ [92:12, 64:2, 76:3] দেখাই নি??

আল্লাহর পথ সামান্য কষ্টকর।

90:11 নং আয়াহ : কিন্তু তাহলেও সে সামান্য কষ্টকর গিরিপথ (আল্লাহ’র পথ) ধরল ১ না!

১ প্রাথমিক অবস্থায়/ ইসলাম প্রতিষ্ঠা লগ্নে ইসলাম পালন একটু কষ্টকর। তবে বর্তমানে ইসলাম পালন খুবই‌ সহজ (2:285, 4:28)। কিন্তু আমরা তো জানি নাস্তিকতাই সবচেয়ে! আসল ইসলাম নাস্তিকতার চেয়ে অনেক বেশি নাস্তিকতা। একজন কট্টর নাস্তিক‌ই সবচেয়ে ভাল মুসলিম। এভাবে বলা যায়- হোসেন কুরানী‌’র বড় নাস্তিক পৃথিবীতে নেই। কারণ হোসেন কুরানী একজন কট্টর মুসলিম।

নাবী (সা) সামান্য কষ্টকর গিরিপথ সম্পর্কে জানতেন না।

90:12 নং আয়াহ : আপনি কী জানেন- সেই সামান্য কষ্টকর [28:48, 42:52] গিরিপথ (আল্লাহ’র পথ) কি??

দাস-দাসী প্রথা উচ্ছেদের ঘোষণা।

90:13 নং আয়াহ : (তা হল) দাস-দাসী প্রথাকে উচ্ছেদ ১ করা।

১ দাস-দাসী প্রথা ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য প্রথা গুলোর একটি, যা যুগ যুগ ধরে চলে আসছিল। নাবী (সা) এর যুগেও চলছিল। দাস-দাসীদের কোনও অধিকার ছিল না। তাদের অধিকার ছিল পশুদের চেয়েও কম। দাস-দাসী হত্যার বিচার তো দূরের কথা, কোনও কৈফিয়ত‌ও ছিল না। পশুদের‌ও বিশ্রাম দেওয়া হোত, কিন্তু দাস-দাসীরা সেই সুযোগ‌ও পেত না। দাস-দাসীদের কোনও ধরণের বেতন ছিল না। শুধুমাত্র খেতে ও পরতে দেওয়া হোত। দাস-দাসী দের প্রহার করা হোত সেই ভাবে, যেভাবে পশুদের‌ও প্রহার করা হোত না। দাস-দাসীদের প্রহার করতে করতে মেরে ফেলা ছিল গর্বের বিষয়। দাসদাসীদের খেতে দেওয়া হোত- নিকৃষ্ট মানের খাবার, পরতে দেওয়া হোত- নিকৃষ্ট মানের কাপড়। দাসীদের সঙ্গে মালিক সহ যে কেউ, যখন তখন যৌনমিলন করতে পারত। দাসীরা ছিল যৌনমিলনের যন্ত্র। এগুলো‌কে যৌন মিলন না বলে ধর্ষণ বলাই উপযুক্ত। নাবী (সা) ইসলামে‌র প্রাথমিক যুগে দাস-দাসী প্রথাকে নিয়ন্ত্রণ (Regulate) করতে শুরু করেন।

   যেমন, পবিত্র কুর’আনের বাণী- “প্রতিটা মানুষ একজন পুরুষ (আদাম) ও একজন নারী (হাউয়া) থেকে সৃষ্ট”(49:13)। এত‌এব সৃষ্টিগত ভাবে প্রতিটা পুরুষ ভাই ভাই। প্রতিটা নারী পুরুষদের বোন। তারা কেউই একে অপরের চেয়ে বড় বা ছোট নয়। মালিক ও দাস-দাসী একে অপরের সমান। নাবী (সা) এর ভাষায়- “তারা (দাস-দাসীরা) তো তোমাদেরই ভাই বোন। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীন করেছেন। সুতরাং আল্লাহ যার ভাইকে তার অধীন করে দেন, সে নিজে যা খায়, তাকেও যেন তা খাওয়ায়। সে নিজে যা পরে, তাকেও যেন তা পরায়। আর তার উপর যেন এমন কোন কাজ না চাপায়, যা তার শক্তির বাইরে। আর যদি তার উপর এমন কঠিন ভার দিতেই হয়, তাহলে সে নিজেও যেন তাকে সাহায্য করে”(বুখারী, হাদীশ 6050)।

   পবিত্র কুর’আন আরও বলে- “প্রত‍্যেক আদামের সন্তান‌ই (মানুষ জাতি) সম্মানিত”(17:70)। অর্থাৎ দাস-দাসীও তার মালিকের মতোই সম্মানিত। আল্লাহ আরও বলেন- “আপনি আমার বান্দাদের বলে দিন- তারা যেন আমার অন্য বান্দাদের সঙ্গে উত্তম ভাষায় কথা বলে”(17:53)। এ প্রসঙ্গে নাবী (সা) বলেন- “তোমরা তাদের (দাস-দাসীদের) গালা গালি কর না”(বুখারী, হাদীশ 6950)। নাবী (সা) আরও বলেন- “দাস-দাসীদের চড় মারার জরিমানা হলো- তাকে মুক্ত করে দেওয়া”(আল আদাবুল মুফরাদ, হাদীশ 176)।

   কুরআন আরও বলে- “তোমরা দাসদাসীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো”(4:36)। এ প্রসঙ্গে নাবী (সা) আরও বলেছেন-“তোমরা দাসদাসীদের প্রতি সদয় হ‌ও। তোমরা যা খাবে, তাকেও তা খাওয়াবে। তোমরা যা পরবে, তাকেও তা পরাবে। তারা‌ও আল্লাহর সৃষ্টি, তাদের কষ্ট দিও না”(আল আদাবুল মুফরাদ, হাদীশ 188 ও 199)। নাবী (সা) আরও বলেন- “যখন নিজেরা খাবে, তখন দাস-দাসী দের সঙ্গে নিয়ে খাবে। তারা যদি তোমাদের সঙ্গে (সামাজিক ভাবে ছোট হ‌ওয়ার কারণে) খেতে না চায়, তার মুখে খাবার তুলে দেবে/ তাকে খাইয়ে দেবে”(ঐ, হাদীশ 198 ও 200)।

   যাইহোক, এও বলে রাখা উচিৎ যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে পবিত্র কুরআন দাসীদের সঙ্গে যৌনমিলন অনুমোদন করেছিল 23:5-7 ও 70:29-31 তে। কিন্তু এখানে ইসলাম জুড়ে দিয়েছিল কঠিন শর্ত। যেমন- “দাসীর গর্ভে সন্তান এলে, দাসী দাসীত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ এখানেও ছিল দাসী মুক্তি‌র ব‍্যবস্থা”(দারাকুতনী, হাদীশ 4250)। পরবর্তীতে কুরআন তাও নিষিদ্ধ করে দেয় 4:3 ও 4:25 আয়াতের মাধ্যমে। যেখানে ঘোষণা করা হয়- “নিজের অধিকার‌ভুক্ত দাসীকে বিবাহ কর”। এই আয়াহ দ্বারা বিবাহ ছাড়া যৌনমিলন নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে নাবী (সা) বলেন- “যে ব‍্যক্তি নিজ দাসীকে শিক্ষা দেবে ও উত্তম শিক্ষা দেবে এবং রীতিনীতি শিক্ষা দেবে ও উত্তম রীতিনীতি শিক্ষা দেবে, পরে তাকে মুক্ত করে বিবাহ করবে, তার জন্য থাকবে দ্বিগুণ প্রতিদান”(বুখারী, হাদীশ 5083)। এছাড়াও দাসীদের সঙ্গে বিয়ে ছাড়া যৌনমিলন তো আগেই হারাম ঘোষণা করা হয়েছিল, তাদের দিয়ে বেশ‍্যা বৃত্তি করানোও হারাম করে দেওয়া হয়েছিল (24:33)। তার সঙ্গে এও ঘোষণা করা হলো- মালিক হিসাবে অবিবাহিত দাস-দাসীদের বিবাহ দিয়ে দাও। মানুষ হিসাবে যৌনতা তাদের অধিকার (24:32)।

   এর পূর্বে দাসীর গর্ভে মালিকের সন্তান এলেও সেই দাসী দাসী‌ই থাকত এবং তার সন্তান‌ও দাস বলে গণ্য হতো। কিন্তু ইসলাম এখানে বদল করে দাসী মুক্তি‌র ব‍্যবস্থা করেছিল। বলে রাখা ভাল যে, তখন গর্ভনিরোধক ব‍্যবস্থা ছিল না। সুতরাং দাসীর সঙ্গে যৌনমিলন করলেই দাসীর গর্ভে সন্তান আসত এবং ঐ দাসী এবং তার সন্তান উভয়েই মুক্ত হয়ে যেত। যাইহোক পবিত্র কুরআন 90:13 আয়াহকে বাস্তবায়ন করতে বহু পদক্ষেপ নিয়েছিল। তার মধ্যে কয়েক টি কুরআনের‌ই বলা হয়েছে।

   যেমন- A) জ্ঞানে অজ্ঞানে বৌকে ‛মা’ বলে ডেকে ফেললেই তার জরিমানা হতো- একটি দাস বা দাসী মুক্ত করা (58:3)। B)  মিথ্যা শপথের জরিমানা হতো- একটি দাস বা দাসী মুক্ত করা (5:89)। C) রামাদ্বান মাসে দিনের বেলা যৌনমিলন করে ফেললে তার জরিমানা হতো- একটি দাস বা দাসী মুক্ত করা (বুখারী, কিতাবুস্ব স্বাওম, হাদীশ 1936)। D) এছাড়াও দাস-দাসী মুক্ত করাকে ‘আল্লাহ’র প্রতি প্রেম’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে (2:177)। E) যদি দাস-দাসী দের সঙ্গে সঙ্গে মুক্ত করা কঠিন হয়, তাহলে চুক্তি ভিত্তি‌ক দাস-দাসী মুক্ত করতে বলা হয়েছে। যেমন- অমুক দাসকে এক, দুই, তিন, চার বা পাঁচ বছরের মধ্যে মুক্ত করে দেব (24:33)। এ ছাড়াও পবিত্র কুরআন নাবী (সা) কে নির্দেশ দিয়েছে- ইসলামী রাষ্ট্র তার রাজকোষ (যাকাতের টাকা) থেকে ‛দাস-দাসীর মালিকদের’ থেকে দাস-দাসীদের কিনে নিয়ে মুক্ত করে দিতে (9:60)।

   আর সবশেষে ভবিষ্যতে‌র জন্য পবিত্র কুরআন দাস-দাসী তৈরির কারখানা‌ টা বন্ধ করে দিয়েছে। দাস-দাসী তৈরির কারখানা‌! হ‍্যাঁ, দাস-দাসী তৈরির কারখানা‌। যুদ্ধ বন্দী ও বন্দীনিদের দাস-দাসী বানাতো হোত। কিন্তু পবিত্র কুরআন সেই রাস্তা‌টা বন্ধ করে দেয় 47:4 আয়াহর মাধ্যমে। যেখানে বলা হয়েছে- “যুদ্ধে যুদ্ধ বন্দী ও বন্দীনিদের হয় মুক্তিপণ নিয়ে মুক্তি দাও, নয়ত দয়া দেখিয়ে মুক্ত কর” (47:4)। অর্থাৎ তাদের বন্দী বা বন্দীনি হিসাবেও রাখা যাবে না, দাস দাসী বানানো যাবে না, তাদের হত্যা‌ও করা যাবে না।

সমস্ত জীবকে খাবার খাওয়ানো‌র নির্দেশ।

90:14 নং আয়াহ : অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাবার খাওয়ানো।

*একটি হাদীশ- “সর্বোত্তম কাজ হল পরিচিত অপরিচিত সমস্ত ক্ষুধার্ত‌কে খাবার খাওয়ানো” (বুখারী, হাদীশ 12)।

অনাথকে খাবার খাওয়ানো‌র নির্দেশ।

90:15 নং আয়াহ : নিকটবর্তী কোনও ইয়াতীম/ অনাথ [107:2, 93:9] শিশুকে।

দরিদ্রতায় জর্জরিত গরীবকে খাবার খাওয়ানো‌র নির্দেশ।

90:16 নং আয়াহ : অথবা ধূলায় লুন্ঠিত (দরিদ্রতায় জর্জরিত নিরুপায়) গরীবকে।

সৃষ্টির প্রতি দয়া করার উপদেশ।

90:17 নং আয়াহ : অতঃপর সে‌ও তাদের (আল্লাহর পথ ধারীর) অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, যারা সত্য স্বীকার করেছে, পরস্পরকে ধৈর্য‌্য ধারণের উপদেশ দেয় এবং পরস্পর‌কে সৃষ্টির ১ প্রতি দয়া করার উপদেশ দেয়।

১ একটি হাদীস- “যে সৃষ্টির প্রতি দয়া করে না, তার প্রতিও  দয়া করা হয় না”(বুখারী, হাদীস 6013)। আরও একটি হাদীশ- “তোমরা গ্ৰহবাসীদের প্রতি দয়া কর, যিনি মহাবিশ্ব জুড়ে রয়েছেন, তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন”(আবু দাউদ, হাদীশ 4941)। আরও একটি হাদীশ- “যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ‌ও তার প্রতি দয়া করবেন না”(মুসলীম, হাদীশ 2319)

উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্য গুলো ডানপন্থী‌দের।

90:18 নং আয়াহ : তারাই ডানপন্থী [56:8, 84:7-9]।

# 90:13 থেকে 90:17 পর্যন্ত আয়াতে ডানপন্থী‌ কারা, তা বলা হয়েছে।

বামপন্থী কারা??

90:19 নং আয়াহ : আর যারা অস্বীকার করেছে আমাদের আয়াত সমূহ, তারাই বামপন্থী [56:9, 84:10-14]।

বামপন্থীদের পরিণতি।

90:20 নং আয়াহ : আগুন তাদেরকে চারিদিক ঘিরে রাখবে।

Rate this post
শেয়ার করুন:

“৯০ নং সূরাহ | সূরাহ বালাদ | Surah no 90 | Surah Balad |”-এ 1-টি মন্তব্য

  1. 1/নং হল আপনার ইস্মট তাফসিরে,আয়াত জাইগাই আয়াহ হয়ে আছে, কোন টি ঠিক,বলবেন বা ঠিক করবেন।2/ নং হল
    90/ 11 (আল্লাহ পথ) ধরল 1 না, এখানে 1 বলতে আমরা কি বুঝবো, এরকম অনেক জাইগাই আছে তাই আমাদের বুঝিয়া বলবেন

    জবাব

মন্তব্য করুন