বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে পড়া শুরু করছি, যিনি সীমাহীন দয়ালু এবং সীমাহীন করুণাময়।
নাযিল : মাক্কাহ, আয়াত : 19 টি।
পৃথিবীর বায়ুমন্ডল অকেজো হয়ে যাবে।
82:1 নং আয়াহ : যখন (পৃথিবীর) বায়ুমন্ডল অকেজো হয়ে যাবে।
পৃথিবীতে গ্ৰহাণুদের আঘাত।
82:2 নং আয়াহ : এবং যখন গ্ৰহাণু গুলো বিক্ষিপ্ত ভাবে (পৃথিবীতে) আঘাত হানতে থাকবে।
গ্ৰহাণু আঘাতের ফল।
82:3 নং আয়াহ : তখন মহাসাগর গুলো উথলে উঠবে।
আত্মারা গুপ্ত জগৎ থেকে মুক্তি পাবে।
82:4 নং আয়াহ : আর যখন কবর (গুপ্ত জগৎ) সমূহ প্রকাশিত [80:21, 23:100] হবে।
প্রত্যেকেই আমলনামা হাতে পাবে।
82:5 নং আয়াহ : তখন প্রত্যেকেই জানবে- যা সে আগে পাঠিয়েছে এবং যা সে ছেড়ে [36:12] এসেছে।
মানুষকে আল্লাহর প্রশ্ন।
82:6 নং আয়াহ : হে সম্মানিত মানুষ, কোন বিষয়টি তোমার মহাসম্মানিত প্রভু সম্পর্কে তোমাকে বিভ্রান্ত করল??
■ কোষ বিভাজন ■ প্রতিটা মানুষ একে অপরের সমান।
82:7 নং আমাহ : যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে বিভাজিত ১ করেছেন/ করছেন। অতঃপর তোমাকে দিয়েছেন (অন্য মানুষের মতোই) সমান/ সমতার অধিকার [6:115]।
১ “তোমাকে বিভাজিত করছেন”- অর্থাৎ আজ তোমার যা আকার আকৃতি, তা তোমার মধ্যে চলা কোষ বিভাজনের জন্যেই। সেটা হোক মাতৃগর্ভে আদি কোষ বিভাজন কিংবা সাধারণ কোষ বিভাজন।
আল্লাহ সন্তানকে ইচ্ছা মতো গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্য প্রদান করেন।
82:8 নং আয়াহ : তিনি তোমাদেরকে ইচ্ছা মতো (বংশগত) গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্য প্রদান ১ করেন।
১ ইচ্ছা মতো বলতে?? অর্থাৎ সন্তানের মধ্যে মাতা পিতার থেকে কতটা গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্য আসবে, দাদু দাদীর থেকে কতটা, নানা নানীর থেকে কতটা, তা আল্লাহ ইচ্ছা মতো প্রদান করেন।
নাস্তিকরাও নাস্তিকতায় গোঁড়া।
82:9 নং আয়াহ : কখনও নয়, বরং কোনও (চিন্তা ভাবনা ও বিচার বিবেচনা ছাড়াই) দীন/ ইসলামকে অস্বীকার [95:7) করছো।
মানুষের কর্মের সংরক্ষণ চলছে।
82:10 নং আয়াহ : আর নিশ্চয়ই তোমাদের উপর কর্ম সংরক্ষক দল নিযুক্ত রয়েছে।
দু জন ফেরেস্তা সমস্ত কিছু লিখছেন।
82:11 নং আয়াহ : দু জন সম্মানিত লেখক [50:17-18]।
তাদের অজানা কিছুই নেই।
82:12 নং আয়াহ : তারা (প্রত্যেকটি বিষয়) জানে, তোমরা যা কিছু করো।
সৎ ব্যক্তিদের পরিণতি।
82:13 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিরা থাকবে নিয়ামতের মধ্যে।
অপরাধ পরায়ণদের পরিণতি।
82:14 নং আয়াহ : আর নিঃসন্দেহে অপরাধ পরায়ণ ব্যক্তিরা থাকবে জাহান্নামে।
বিচার দিবস হতে পালানোর কোনও উপায় নেই।
82:15 নং আয়াহ : বিচার দিবসে তারা অনুপস্থিত [141:21] থাকতে পারবে না ।
বিচার থেকে মুক্তির কোনও উপায় নেই।
82:16 নং আয়াহ : আর তারা তা থেকে মুক্তিও [3:91, 47:34] পাবে না।
বিচার দিবস সম্পর্কে নাবী (সা) জানতেন না।
82:17 নং আয়াহ : আপনি কি জানেন- বিচার দিবস [29:48, 42:52] আসলে কি??
বিচার দিবস সম্পর্কে নাবী (সা) কিছুই জানতেন না।
82:18 নং আয়াহ : আবারও বলছি, আপনি কী জানেন- বিচার দিবস [29:48, 42:52] আসলে কি??
আল্লাহ বিচার দিবসের একচ্ছত্র অধিপতি।
82:19 নং আয়াহ : সেদিন কেউ কারোর জন্য কিছু করতে পারবে না [78:38]। সেদিন কতৃত্ব হবে শুধুমাত্র আল্লাহর [1:3, 6:73]।
১০০% সঠিক ও বৈজ্ঞানিক অনুবাদ। প্রচলিত অনুবাদ গুলো গাঁজাখুরির ডাব্বা।