বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে পড়া শুরু করছি, যিনি সীমাহীন দয়ালু এবং সীমাহীন করুণাময়।
নাযিল: মাক্কাহ, আয়াত : 22 টি।
মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি দ্বারা পরিপূর্ণ।
85:1 নং আয়াহ : শপথ মহাবিশ্বের, যা গ্যালাক্সি দ্বারা [25:61] পরিপূর্ণ।
বিজ্ঞানের উন্নত যুগ আসার ভবিষ্যৎ বাণী।
85:2 নং আয়াহ : আর শপথ (বিজ্ঞানের উন্নত) যুগের, যার ওয়াদা করা হল।
ডার্ক ম্যাটার দেখার ভবিষ্যৎ বাণী।
85:3 নং আয়াহ : শপথ যে (অদৃশ্য পদার্থ) দেখবে তার এবং যা (ডার্ক ম্যাটারকে) দেখা যাবে [69:39] তার।
আস্বহাবুল উখদূদও ধ্বংস হয়ে গেছে।
85:4 নং আয়াহ : ধ্বংস হয়েছে গর্তের (মধ্যে অগ্নিকুণ্ডের) অধিকারীরা।
# এই আয়াহ ও পরবর্তী আয়াত গুলো আমাদেরকে জানিয়ে দেয় যে, অত্যাচার চিরস্থায়ী নয়। আর যে যতই ক্ষমতার অধিকারী হোক না কেন, ধ্বংস নিশ্চিত।
# বিস্তারিত তথ্য রয়েছে হাদীশে। বর্ণনাকারী বলেছেন যে, তিনি বলেন- জনৈক রাজার এক যাদুকর ছিল। সে রাজাকে ভবিষ্যৎ বাণী শুনাতো। যাদুকরটি লোকদেরকে বললো- আমাকে তোমরা একটি বুদ্ধিমান, সাবধানী ও শক্তি সম্পন্ন বালক এনে দাও। আমি তাকে আমার জ্ঞান শিখিয়ে দিব। কারণ আমার মনে হচ্ছে যে, আমি মারা গেলে আমার এ বিদ্যা হতে তোমরা বঞ্চিত হবে। তোমাদের মাঝে এই জ্ঞান সম্পন্ন আর কেউ থাকবে না। তিনি বলেন- লোকেরা (যাদুকরের) কথামত একটি বুদ্ধিমান ছেলে খুঁজে বের করে এবং তাকে সেই যাদুকরের নিকট প্রত্যহ যাতায়াতের ও তার সাহচর্য লাভের আদেশ দেয়।
ছেলেটি সেই যাদুকরের নিকট যাতায়াত করতে থাকে। ছেলেটির যাওয়া-আসার পথে একটি গীর্জায় এক পাদ্রী (রাহেব) অবস্থানরত ছিল। বর্ণনাকারী মা’মার বলেন- আমার বিশ্বাস যে, সে সময় গীর্জার পাদ্রীগণ তাওহীদে বিশ্বাসী মুসলিম ছিলেন। সে এই পাদ্রীর কাছ দিয়ে যাতায়াতকালে তার নিকট (দীন/ ইসলাম প্রসঙ্গে) প্রশ্ন করত। অবশেষে সে বলল- আমি আল্লাহর ইবাদত করি।
তারপর পাদ্রীর নিকট ছেলেটি অবস্থান করতে শুরু করে এবং যাদুকরের নিকট বিলম্বে উপস্থিত হয়। যাদুকর ছেলের অভিভাবককে বলে পাঠায় যে, আমার আশঙ্কা হয় সে আমার নিকট আসবে না। বালক পাদ্রীকে এ বিষয়টি অবহিত করলে তিনি তাকে বলেন- ‘তুমি কোথায় ছিলে’ যাদুকর তোমাকে এ প্রশ্ন করলে তুমি বলবে- আমি বাড়ীতে ছিলাম। আর তোমাকে অভিভাবকরা প্রশ্ন করলে তুমি বলবে- আমি যাদুকরের নিকট ছিলাম।
রাসূল (সা) বলেন- এভাবে বেশ কিছু দিন বালকটির কেটে গেল। একদিন সে এক বিরাট সংখ্যক মানুষের নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের পথে একটি হিংস্র জন্তু বাধা হয়ে দাড়ায়। কেউ কেউ বললেন- ঐ জন্তুটি ছিল বাঘ। রাসূল (সা) বলেন- বালকটি একটি পাথর তুলে নিয়ে বলে, “হে আল্লাহ! পাদ্রী যা বলে তা যদি সত্য হয় তাহলে আমি আপনার নিকট চাই যে, এ জন্তুটিকে আমি হত্যা করি”। এ কথা বলে সে পাথরটি ছুড়ে মারল এবং জন্তুটিকে হত্যা করল। কিছু মানুষজন বলল- জন্তুটিকে কে হত্যা করল?? তখন কয়েকজন বলল- এই বালকটি।
মানুষজন বিমর্ষ হয়ে বলল- এমন জ্ঞান সে আয়ত্ত করেছে, যা আর কারো নিকটে নেই। রাসূল (সা) বলেন- এক অন্ধ ব্যক্তি এ ঘটনা শুনতে পেয়ে তাকে বলল- যদি তুমি আমার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে পার তবে তোমাকে আমি এই এই পরিমাণ সম্পদ দিব। বালকটি তাকে বলল- আপনার নিকট থেকে আমি তা চাই না। তবে যদি তোমার দৃষ্টিশক্তি তুমি ফিরিয়ে পাও, তাহলে যিনি তোমার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিবেন, তার অস্তিত্ব কি আপনি স্বীকার করবেন?? অন্ধ ব্যক্তিটি বলল- হ্যাঁ। তারপর আল্লাহর নিকট ছেলেটি দুয়া করল এবং আল্লাহ তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিলেন। অন্ধ ব্যক্তিও সত্য স্বীকার করল।
বিষয়টি রাজার কানে গিয়ে পৌঁছলে সে তাদের ডেকে পাঠায়। তার নিকট তাদেরকে হাযির করা হলে সে বলল- তোমাদের প্রত্যেককে আমি এক এক নতুন পন্থায় হত্যা করব,।যে পন্থায় তার সঙ্গীকে হত্যা করব না। সে পাদ্রী ও অন্ধ ব্যক্তিটিকে হত্যার হুকুম দিল এবং সে অনুযায়ী এদের একজনের মাথার উপর করাত চালিয়ে হত্যা করা হয় এবং অন্যজনকে আরেকভাবে হত্যা করা হয়। তারপর বালকটি প্রসঙ্গে বাদশা বলল, একে ঐ পর্বতে নিয়ে যাও এবং তার চূড়া হতে তাকে ফেলে দাও।
অতঃপর তারা তাকে নিয়ে সেই পর্বতে গেল। যখন তারা পাহাড়ের সেই নির্দিষ্ট জায়গা হতে তাকে ফেলে দিতে প্রস্তুত হল, তখন একে একে তারা সকলে পড়ে মারা গেল এবং বালকটি ব্যতীত কেউই বাকি থাকল না। রাসূল (সা) বলেন- সে ফিরে এলে বাদশা তাকে নিয়ে নদীতে ডুবিয়ে মারার জন্য সৈনদেরকে আদেশ দিল।
তারপর তাকে নদীতে নিয়ে যাওয়া হল। আল্লাহ বালকটির সঙ্গী দেরকে ডুবিয়ে হত্যা করলেন এবং তাকে বাঁচিয়ে রাখলেন। পরবর্তীতে ছেলেটিই বাদশাকে বলল- আমাকে আপনি হত্যা করতে পারবেন না। তবে আমাকে তুমি শূলে চড়িয়ে “এ বালকের প্রভুর নামে” বলে তীর নিক্ষেপ করলেই শুধু আমাকে হত্যা করতে পারবেন। রাসূল (সা) বলেন- তার কথা মতো রাজা আদেশ দিল এবং অতঃপর তাকে শূলে চড়িয়ে “এই বালকের প্রভুর নামে” বলে তীর নিক্ষেপ করল, ছেলেটি তার হাত তার কান ও মাথার মাঝের জায়গায় স্থাপন করল এবং মারা গেল।
মানুষজন বলল- এমন জ্ঞান বালকটি লাভ করেছে যা আর কেউই লাভ করতে পারেনি। কাজেই এই বালকের প্রভুকে আমরাও স্বীকার করলাম। রাসূল (সা) বলেন- রাজাকে বলা হল- আপনি তো তিন ব্যক্তির বিরোধিতায় ভয় পেয়ে গেলেন। এখন গোটা রাজ্যই তো আপনার বিরোধী হয়ে গেল।
রাসূল (সা) বলেন- সে সময় রাজা একটি সুদীর্ঘ গর্ত খুঁড়ে তাতে কাঠ দিয়ে আগুন ধরায়, তারপর মানুষজনকে একসঙ্গে বলে- “যে তার ধর্ম হতে ফিরে আসবে, তাকে ছেড়ে দিব এবং যে ধর্ম হতে না ফিরবে, তাকে আমি এ আগুনে নিক্ষেপ করব”।
সত্য স্বীকার করা মানুষজনকে সে আগুনের গর্তে নিপতিত করতে লাগল। রাসূল (সা) বলেন- এ প্রেক্ষিতেই আল্লাহ বলেছেন- “গর্তের অধিপতিরা ধ্বংস হয়েছে, যে গর্তে দাউ দাউ আগুন জ্বলছিল। যখন তারা তার (গর্তের মধ্যে অগ্নিকুন্ডের) আশেপাশে বসেছিল। এবং তারা দেখছিল তা, যা হচ্ছিলো মূমীনদের সঙ্গে। আর তারা শুধুমাত্র একারণে নির্যাতন করেছিল যে, তারা (মূমীনরা) স্বীকার করেছিল মহা শক্তিশালী ও মহা প্রশংসিত আল্লাহকে”(85:4-8)। বর্ণনাকারী বলেন- পরে বালকটিকে দাফন করা হয়েছিল”(তিরমিযী, হাদীশ 3340)।
অগ্নিকুণ্ডে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল।
85:5 নং আয়াহ : (যাতে ছিল এমন) আগুন, যা দাউ দাউ করে জ্বলছিল।
85:6 নং আয়াহ : যখন তারা তার (গর্তের মধ্যে অগ্নিকুন্ডের) আশেপাশে বসেছিল।
আজও বিশ্ব চুপ চাপ মুসলিম নির্যাতন দেখছে।
85:7 নং আয়াহ : এবং তারা দেখছিল তা, যা হচ্ছিল মূমীনদের সঙ্গে।
# দেখুন না, ফিলিস্তিন ইজরায়েল হয়ে গেল। কিন্তু বিশ্ব চুপচাপ। ফিলিস্তিনের যতটুকু বেঁচে আছে, তাও খুবই শীঘ্রই ইজরায়েলে পরিণত হবে। বিশ্ব তাও চুপচাপ দেখবে। অবাক করা ব্যাপার হল- ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্ৰামীরা সন্ত্রাসী! এরচেয়ে হাস্যকর আর কি কিছু হতে পারে??
গোটা পৃথিবীতে মুসলিমরা নির্যাতিত হওয়ার কারণ কি??
85:8 নং আয়াহ : আর তারা শুধুমাত্র একারণে নির্যাতন করেছিল যে, তারা (মূমীনরা) স্বীকার করেছিল মহা শক্তিশালী ও মহা প্রশংসিত [45:36, 34:1] আল্লাহকে।
আল্লাহ মহাবিশ্বের মালিক ও সমস্ত বিষয়ের সাক্ষী।
85:9 নং আয়াহ : যিনি মহাবিশ্বের মালিক। আর আল্লাহ সমস্ত বিষয়ের সাক্ষী।
মূমীন ও মূমীনাদের বিপদে ফেলা হারাম।
85:10 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই যারা মূমীন ও মূমীনাদেরকে বিপদে ফেলেছে/ কষ্ট দিয়েছে [33:58] এবং অতঃপর তাওবা (ক্ষমাপ্রার্থনা) করে নি, তাদের জন্য থাকবে জাহান্নামের শাস্তি। আর তা তাদেরকে প্রদান করবে দহন যন্ত্রণা [4:56, 104:7]।
# একটি হাদীশ- প্রকৃত মুসলিম সে, যার জিহবা ও হাত হতে সকল মুসলিম নিরাপদ”(বুখারী, হাদীশ 10)।
মহা সাফল্য আসলে কোনটা??
85:11 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই যারা সত্য স্বীকার করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের জন্য থাকবে জান্নাত। যাতে তাদের নিয়ন্ত্রাধীন ভাবে প্রবাহিত হতে থাকবে নদনদী সমূহ। ওটাই মহা সাফল্য।
আল্লাহ অপরাধীদের কঠিন শাস্তি দিয়ে থাকেন।
85:12 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই আপনার প্রভু (অপরাধীদের) খুবই কঠিন ভাবে ধরেন (১)।
(১) এটা আরবি বাক রীতি। যার অর্থ- খুব কঠিন ভাবে শাস্তি দেন। এখানে ‛ধরেন’ বলতে, হাত দিয়ে ধরা নয় (89:14)।
প্রথম ও দ্বিতীয় বিগব্যাঙ।
85:13 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই তিনি প্রথমবার সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেছেন, তিনিই পুনঃ [21:104, 50:15] সৃষ্টি করবেন।
# এখানে প্রথম সৃষ্টি বলতে প্রথম বিগব্যাঙের কথা বলা হচ্ছে, পুনঃ সৃষ্টি বলতে দ্বিতীয় বিগব্যাঙের কথা বলা হচ্ছে। আরও দেখুন- 30:11, 30:27 ও 10:4 আয়াত
আল্লাহ ক্ষমাশীল ও প্রেমময়।
85:14 নং আয়াহ : আর তিনি মহা ক্ষমাশীল ও মহা প্রেমময়।
আল্লাহ সমস্ত কিছুর নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থার মালিক।
85:15 নং আয়াহ : তিনি মহান আরশের/ নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থার (১) মালিক, যিনি মহা সম্মানিত।
১) আরশ অর্থ- সিংহাসন। কিন্তু আল্লাহর আরশ বলতে আল্লাহর সিংহাসন নয়। আল্লাহ যা দ্বারা মহাবিশ্ব সমূহ এবং অন্যান্য সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন, তাই হল- আল্লাহর আরশ। এখানে আরশ/ সিংহাসন শব্দটি প্রতীকী।
প্রশ্ন হবে- এমন দাবি করছি কেন, তাই না?? একটি আয়াহ দেখুন, বেশ খানিকটা বুঝতে পারবেন- “তিনি ছয়টি পর্যায়ে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। তারপর আরশের উপর সমাসীন হোন”(7:55)। আর এই আয়াহ পবিত্র কুরআনে বেশ কয়েকবার রয়েছে।
যদি আরশ সত্যি সত্যিই সিংহাসন হোত, তাহলে আল্লাহ মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে আরশের উপর সমাসীন হোন নি কেন?? এ প্রশ্নের কোনও উত্তর আছে কি?? নেই রে ভাই, নেই। সুতরাং হোসেন কুরানী’র ব্যাখ্যায় প্রশ্ন তোলা চালাকির কাজ নয়।
কারণ, আল্লাহর আরশ কথার অর্থ- আল্লাহর সিংহাসন নয়। যখন সৃষ্টি ছিল না, তখন সৃষ্টি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনও ছিল না। তাই তিনি আরশে সমাসীন হোন নি। তিনি সৃষ্টি করলেন, তারপর আরশে সমাসীন হোন। অর্থাৎ আরশ বলতে নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা।
যাইহোক, পবিত্র কুরআনের 2:255 তে তার মহাবিশ্বের নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থাকে বোঝাতেই কুরশি শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে। আর এই নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা আর অন্য কিছু নয়, তা হল- মহাকর্ষ বল। যা দ্বারা আল্লাহ মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করেন (69:16)।
আমরা জানি- সময় নির্ভর করে মহাকর্ষ বলের উপর। হাদীশুল কুদশিতে বলা হয়েছে- “আল্লাহই সময়” (বুখারী, হাদীশ 6181)। এবার মনে হয় 85:20 আয়াহটিকে বুঝতে সুবিধা হবে। যেখানে আল্লাহ বলেছেন- “তিনি কাফিরদের কে ঘেরাও করে রেখেছেন”। তিনি শুধু কাফেরদের নয়, সমস্ত কিছুকে ঘেরাও করে রেখেছেন। আর তা কিভাবে- এখন তা স্পষ্ট। অর্থাৎ আল্লাহ মহাকর্ষ বলের উপর সওয়ার হয়ে সমস্ত কিছুকে পরিবেষ্টিত করে রয়েছেন। ব্যাখ্যা থেকে এও জানা যায় যে, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। শুধু ব্যাখ্যা নয়, আয়াত দেখুন- 2:115, 2:247, 2:261 ও 2:268 নং আয়াত।
যাইহোক এমন একটা সময় আসবে, যখন বিজ্ঞান এত উন্নত হয়ে যাবে যে, মানুষ যেমন নদনদী নিয়ন্ত্রণ করছে, সমুদ্র নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, ঠিক তেমনই মহাবিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করবে। এই ভবিষ্যৎ বাণী রয়েছে 31:20 ও 45:13 তে।
আল্লাহ কারোর অধিনস্ত নন, তিনি স্বাধীন।
85:16 নং আয়াহ : তিনি যেমনটা চান করেন, তেমনটিই করে থাকেন [91:15]।
85:17 নং আয়াহ : আপনার কাছে কি সৈন্য দলের হাদীশ/ তথ্য [10:13] পৌঁছেছে??
85:18 নং আয়াহ : ফিরআউনের (সৈন্য দলের)?? আর সামূদের (যারা আল্লাহর বিরুদ্ধে গিয়েছিল)??
কাফিররা আজও কুরআনের প্রতি মিথ্যারোপে রত।
85:19 নং আয়াহ : কিন্তু তবুও সত্য অস্বীকারকারীরা সত্যের (কুরআনের) প্রতি মিথ্যারোপে রত।
আল্লাহ কাফিরদের ঘেরাও করে রেখেছেন।
85:20 নং আয়াহ : অথচ আল্লাহ তাদের অদৃশ্য ভাবে ঘেরাও (১) করে [2:19, 40:7, ] রেখেছেন [29:54]।
১) কিন্তু প্রশ্ন হবে- কিভাবে?? বিস্তারিত ভাবে জানতে 85:15 আয়াহটি দেখে নিন।
কুরআন মাজীদ/ সম্মানিত।
85:21 নং আয়াহ : তা হল সম্মানিত কুরআন [69:50]।
মূল কুরআন লাওহে মাহফূজ্বে সুরক্ষিত।
85:22 নং আয়াহ : যা রয়েছে লাওহে মাহফূজ্বে [56:78, 13:39, 43:4] সুরক্ষিত।