আছে। শুধু স্বামী পছন্দের নয়, প্রেম করার অধিকারও আছে। এমনকি তার পছন্দের পুরুষকে প্রপোজ করার অধিকারও আছে। এমনকি স্বামীকে ত্বালাক দেওয়ার অধিকারও আছে। কিন্তু এগুলো আমাদের আলেমগণ এগুলো গোপন করেছেন।
নিজের ইচ্ছামত স্বামী/ স্ত্রী নির্বাচন।
আল্লাহ পুরুষদেরকে বলেছেন- “তোমরা যাদেরকে পছন্দ কর, তাদেরকে বিবাহ করে নাও” (কুরআন, 4:3)। নিজ পচ্ছন্দ মতো নারীকে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া- “তোমরা যদি নারীদেরকে গোপনে/ ইশারা ইঙ্গিতে বিবাহের প্রস্তাব দাও, তাতে তোমাদের পাপ হবে না” (কুরআন, 2:235)। প্রকাশ্যে প্রস্তাব দেওয়া যাবে না! গোপনে প্রস্তাব যদি বৈধ হয়, প্রকাশ্যে অবৈধ কিভাবে হবে। কারণ, গোপনে অবৈধ হতে পারত। যখন তা বৈধ, প্রকাশ্যে অবৈধ হওয়ার তো গল্পই নেই।
প্রশ্ন হবে- “নারীরা কোনও পুরুষকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারবে না”?? অবশ্যই পারবে। দলিল! একটু আধটু কষ্ট করে বুখারীর 5087 তে যান। কি পাব?? এটা- “এক মহিলা রাসূল (সা) এর কাছে এসে বললেন : হে আল্লাহর রাসূল, আমি আমাকে আপনার হাতে সমর্পণ (আপনাকে বিবাহ) করতে এসেছি”। আর কোনও দলিল দিতে হবে, নাকি যথেষ্ট?? আরও একটা দলিল দিই! মাইমূনা বিনতু আল হারিশ (রা) এর নাম শুনেছেন! তিনি নাবী (সা) এর একজন স্ত্রী। তিনিও তার দিদির স্বামীর মাধ্যমে নাবী (সা) কে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন (নাসাঈ, হাদীশ 3273)।
অভিভাবকদের দ্বারা বিবাহ।
ইসলামে যেমন নিজের পছন্দে অনুযায়ী বিবাহ করা যায়, তেমনই অভিভাবকরা নিজেও উদ্যোগেও বিবাহ দিতে পারে। বলা হয়েছে- “তোমাদের মধ্যে যারা ‛বিবাহ হীন’ তাদের বিবাহ দিয়ে দাও” (কুরআন, 24:32)। এক্ষেত্রে যদি পাত্র/ পাত্রীর আপত্তি থাকে, তাহলে জোর করে তাদের বিবাহ দেওয়া যাবে না। আইশাহ (রা) নাবী (সা) জিজ্ঞাসা করলেন- “যে মেয়েকে তার অভিভাবক বিবাহ দেয়, তার নিকট থেকেও সম্মতি নিতে হবে কি না! তিনি বললেন : হ্যাঁ, তার সম্মতি নিতে হবে” (মুসলিম, হাদীশ 1420)।
আরও বলা হয়েছে- এক নারী নাবী (সা) এর কাছে এসে বলেন : আমার পিতা তার ভাইপোকে তার দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য তার ভাইপোর সঙ্গে আমার বিবাহ দিয়েছে। নাবী (সা) বলেন : চাইলে বিবাহ বহাল রাখতে পার, না চাইলে না। তখন ঐ নারী বললেন : আমার পিতা যা করেছেন, তা আমি বহাল রাখলাম। তবে আমার উদ্দেশ্য ছিল : যেন নারীরা সুস্পষ্ট ভাবে জেনে নেয় যে, ‛পিতাদের’ কোনও এখতিয়ার নেই”(ইবনু মাজাহ, হাদীশ 1874)।
আলবানী (রহ) মতে, উক্ত হাদীশটি দ্বাইফ হলেও ‛দারুস সালাম’ (সৌদি) সহীহ বলেছে। উক্ত নারী যা বলেছেন, তা আবার কুরআনের 4:19 এর পক্ষে। যেখানে বলা হয়েছে- “জোর করে নারীদের মালিক সেজে থাকা হালাল/ বৈধ নয়”। আরও একটি হাদীশ- এক নারীর স্বামী মারা যায়। তার দেওর তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেয়। ঐ নারীর পিতা অন্য পুরুষের সঙ্গে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিবাহ দেয়। নারী নাবী (সা) এর কাছে বিচার চান। নাবী (সা) তার পিতাকে বললেন : তোমার বিবাহ দেওয়ার কোনও অধিকার নেই। ঐ নারীকে বললেন- তুমি যাকে পছন্দ কর, তাকে বিবাহ করে নাও” (মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক, হাদীশ 10304) এছাড়াও ইবনু মানসূর এর হাদীশ 566 ও নাসাঈ কুবরা এর হাদীশ 5359 এও রয়েছে উক্ত বক্তব্য।
এমনকি ইয়াতীম/ অনাথ নারীর থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। নাবী (সা) বলেছেন- “তোমরা ইয়াতীম মেয়েদেরকে বিয়ে করার জন্য তাদের নিকট থেকে সম্মতি গ্রহণ কর। যদি তারা চুপ থাকে, তবে সেটা অনুমতি। আর যদি সে অস্বীকার করে, তবে তাকে বাধ্য করা যাবে না” (দারেমী, হাদীশ 2224)। এছাড়াও আবুদাউদ এর 2093 তে, ইবনু হিব্বান এর 4085 তে, মাওয়ারিদুজ জামআন এর 1038 তে এবং মুসনাদ মাউসিলি এর 7327 এও রয়েছে উক্ত বক্তব্য।
বিবাহ পূর্ব’ প্রেম ভালবাসা হারাম নয়।
না, হারাম/ নিষিদ্ধ নয়। সম্পূর্ণ হালাল/ বৈধ। তবে হালাল বলতে, যদি মনে করেন যে, “বিবাহের আগে একে অপরকে জড়িয়ে ধরা, চুমু খাওয়া, শারীরিক সম্পর্ক করা কিংবা স্বামী স্ত্রীর মতো এক সঙ্গে থাকা (লিভ ইন করা), তাহলে তা সুস্পষ্ট হারাম। তাহলে যেটা হারাম নয়, সেটা কি?? একে অপরকে পছন্দ করা। ফোনে কথা বলা, চ্যাট করা, পাবলিক প্লেসে সাক্ষাৎ করা, রেষ্টুরেন্টে গিয়ে চা/ কফি খাওয়া ইত্যাদি। প্রশ্ন হবে- গার্লফ্রেন্ডকে বাইকে নিয়ে ঘোরা যাবে?? হ্যাঁ, যাবে। তবে ভদ্রতা বজায় রেখে। এমনকি আপনি গার্লফ্রেন্ডের স্কুটির পিছনে বসে ঘুরতেও পারবেন (ভদ্রতা বজায় রেখে)। দলিল দিতে হবে তো নাকি?? চিন্তা করবেন না, আমি রয়েছি তো, দলিল দেব। কুরআনের 28:23-28 এ যান। কি পাব?? মূসা (আ) বিবাহের আগেই স্ত্রী ও শালীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মানে, ‛সফ্ট প্রেম’ হারাম নয়। এ কারণেই ‛পালিয়ে বিয়ে’ হারাম নয়।
পালিয়ে বিবাহ কি বৈধ??
হ্যাঁ, পালিয়ে বিবাহ বৈধ। তাহলে সেই হাদীশের কি হবে?? কোন হাদীশের?? যেখানে বলা হয়েছে- ওলী ছাড়া বিবাহ বাত্বিল, বাত্বিল ও বাত্বিল। ও আচ্ছা, এটা! আপনি কি ভাবছেন, আমি ঐ হাদীশটা জানতাম না! ভাই, আমার নাম হোসেন কুরানী, এটা ভেবে কথা বলুন। আসলে উত্তর রয়েছে ঐ হাদীশের শেষাংশে। দেখুন- “যার ওলী নেই, তার ওলী হবে দেশের শাসক/ সরকারি কর্মচারী” (তিরমিযী, হাদীশ 1102) এছাড়াও ইবনু মাজাহ এর 1879 তে, আবুদাউদ এর 2083 তে, দারেমী এর 2223 তে, মুসনাদ আহমাদ এর 24372 তে এবং সহীহুল জামে এর 2709 এও রয়েছে উক্ত বক্তব্য।
আরও কিছু রেফারেন্স দেব নাকি?? তারমানে, হাদীশটি আমি জানতাম, তাই না?? যাইহোক, এরমানে কি দাঁড়াল! দাঁড়াল যে- ওলী অবশ্যই চাই, নয়ত বিবাহ বাত্বিল গণ্য হবে। এখন ওলী বলতে শুধু পিতামাতা নয়, আত্মীয় স্বজনও হতে পারে, দেশের শাসক/ সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন। মানে, ওলী বিবাহের অন্যতম শর্ত। বোঝাতে পারলাম কি?? এটা না বোঝা মূর্খতার প্রমাণ বহন করবে। শেষে নারীর ত্বালাক দেওয়ার অধিকার সম্পর্কে একটু কথা বলে লেখা শেষ করব।
নারীর ত্বালাক দেওয়ার অধিকার।
এই অধিকার নারীর আছে?? আছে। কোনও দিন শুনিনি তো! কারণ, আপনি আলেমদের থেকে শুনে ও পড়ে ‛নকল ইসলাম’ শিখেছেন, এজন্য শোনেন নি। তবে আজ শুনবেন, পড়বেন। হাদীশ দেবেন?? শুধু হাদীশ কেন, এর সমর্থনে আয়াতও দেখাব। মনোযোগ দিন, পূর্বধারণা বাদ দিন। দলিল দেখে চুপ থাকবেন, আলেমদেরকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করবেন- “এগুলো এতদিন গোপন রেখেছিলেন কেন”??
এমন হাদীশ আছে?? আছে। যদি আপনি আমার স্মার্ট তাফসীর পড়তেন, এগুলো আগেই জেনে যেতেন। আছে, সত্যিই আপনার তাফসীরে আছে?? আছে। কোথায়?? মানে, কোন সূরাহ, আয়াত নং কত?? কুরআনের 33:28 এ। সুতরাং এখন আর লিখছি না, আমার তাফসীর থেকে কপি করে এখানে পেষ্ট করে দিই। তবে প্রথমে আয়াহটি দেখুন- “হে সম্মানিত নাবী, আপনার স্ত্রীদের বলুন- “যদি তোমরা চাও : ইহজীবন ও সেই মুতাবিক চাকচিক্যতা, তাহলে আমি তোমাদেরকে রাখার জন্য অপারগ, সৌজন্যতা রেখে/ মর্যাদাপূর্ণ ভাবে তোমাদেরকে ছেড়ে দিতে বাধ্য”।
এখানে ‛বাধ্য’ মানে কি?? বাধ্য মানে, বাধ্য। বুঝিয়ে বলি, যদি কোনও বিবাহিত মুসলিম নারী যদি এতটুকু বলে- “আমি তোমার সঙ্গে থাকব না/ সংসার করব না”। তাহলেই ডিভোর্স। অর্থাৎ পুরুষ যদি ত্বালাক দিতে চায়, তার প্রসেস খুবই কঠিন ও লম্বা। কিন্তু নারী যদি স্বামীর সঙ্গে থাকতে/ সংসার করতে না চায়, তাহলেই ডিভোর্স। আর পুরুষ কী ভাবে ত্বালাক দেবে, তা রয়েছে 65:1 এ।
দলিল! দেব, এবার একটা ঘটনা শোনাই- নাবী (সা) এর যুগে বারীরাহ (রা) নামের একজন নারী ছিল। তার স্বামী ছিল- মুগীশ (রা)। তারা দুজনেই দাস ছিলেন, তারা দাসদাসী থাকা অবস্থাতেই তাদের বিবাহ হয় (কুরআন, 24:32)। কিন্তু আইশাহ (রা) বারীরাহ (রা) কে তার মালিকের থেকে কিনে মুক্ত করে দেন। মুক্ত হওয়ার সঙ্গেই বারীরাহ (রা) তার স্বামীর সঙ্গে থাকা বা না থাকার স্বাধীনতা পান (দাসী অবস্থায় এই স্বাধীনতা থাকে না)। স্বাধীনতা পেয়েই বারীরাহ (রা) তার স্বামী মুগীশ (রা) এর সঙ্গে থাকতে অপছন্দ করলেন। এতেই ডিভোর্স/ বিচ্ছেদ হয়ে গেল (বুখারী, হাদীশ 5281-5283)।
দলিল হিসাবে এতটুকু যথেষ্ট। তবে আর খানিকটা উল্লেখ করি। বারীরাহ (রা) মুগীশ (রা) কে ডিভোর্স দেয়। মুগীশ (রা) এর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। মুগীশ (রা) বারীরাহ (রা) কে ছাড়তে নারাজ। মাদীনাহর অলিগলিতবে মুগীশ (রা) বারীরাহ (রা) এর পিছনে পিছনে ঘুরছে ও কাঁদছে। তাঁর ছোখের পানিতে তাঁর দাড়ি ভিজে গেছে। দাড়ি বেয়ে বেয়ে পানি পড়ছে। ঘটনাটা দেখে নাবী (সা) এর খুব মায়া হল। তখন নাবী বারীরাহ (রা) কে ডেকে বললেন- “তুমি মুগীস (রা) এর সঙ্গে সংসার করতে পারতে তো”?? তখন বারীরাহ (রা) বললেন- “এটা কি আপনার আদেশ?? তা হলে তা মানতে আমি বাধ্য”। নাবী (সা) বললেন- “না, তা শুধু সুপারিশ”। বারীরাহ (রা) বললেন- “আমার কাছে মুগীশ (রা) অপ্রয়োজনীয়”।
এখানে শিক্ষনীয় বিষয়- একজন মুসলিম নারীর থেকে ডিভোর্স দেওয়ার অধিকার কোনও ভাবে কেড়ে নেওয়া যাবে না। নাবী (সা) নিজেও মুসলিম নারীর ডিভোর্স দেওয়ার অধিকারের মাঝখানে আসেন নি। কিন্তু আমরা এই অধিকার নারীর থেকে কেড়ে নিয়েছি…। অথচ নাবী (সা) বলেছেন- “হে আল্লাহ, আপনি সাক্ষী থাকুন : আমি আমার উম্মাহকে সতর্ক করেছি, কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছি যে, তারা ইয়াতীম/ অসহায় ও নারীদের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট ও সচেতন থাকবে” (নাসাঈ কুবরা, হাদীশ 9105)। হাদীশটি আরও রয়েছে ইবনু মাজাহ এর 3678 এ, মুসনাদ আহমাদ এর 9666 তে, ইবনু হিব্বান এর 5565 তে, সহীহ জামে এর 2447 এও।
দাঁড়ান, আরও কিছু প্রমাণ হাজির করি। উমাইমাহ বিনতু শারহীল (রা) নামক নারীর সঙ্গে নাবী (সা) এর বিবাহ হয়েছিল। কিন্তু বাসরে নাবী (সা) কে উমাইমাহ (রা) বলেন : আপনার থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় চাই। শুধু এতটুকু কথাই ডিভোর্স বলে গণ্য করা হয়। এর উত্তরে নাবী (সা) বলেন : ঠিক আছে, তুমি তোমার পরিবারের কাছে চলে যাও (বুখারী, হাদীশ 5254)। অবশ্য নাবী (সা) তাকে কিছু উপহার দিয়ে পাঠিয়েছিলেন (বুখারী, হাদীশ 5256-5257)। যদিও পরে ঐ নারী নিজের সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস করেছিলেন এভাবে : “হায়, আমি নাবী (সা) এর স্ত্রী হওয়ার মর্যাদা থেকে আমি চিরদিনের জন্য বঞ্চিতা হলাম” (বুখারী, হাদীশ 5637)।
এছাড়াও নাবী (সা) এর বাড়িতে থাকা স্ত্রীগণও নাবী (সা) এর সঙ্গে থাকা না থাকার বিষয়ে স্বাধীন ছিলেন। সুস্পষ্ট ভাবে আইশাহ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে- “আমাদেরকে স্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছিল যে, আমরা নাবী (সা) এর সঙ্গে থাকব, নাকি থাকব না। আমরা নাবী (সা) কে বেছে নিয়েছি” (তিরমিযী, হাদীশ 1179)। মানে, কোনও স্ত্রী যদি এটা বলে- “আমি তোমার সঙ্গে থাকব না”। তাহলেই তা ডিভোর্স বলে গণ্য হবে। এখানে কেউ এসে বলতে পারেন- “কুরআনের 33:28 এর এমন ব্যাখ্যা আপনার আগে কেউ দেয় নি”। দিয়েছে, আপনি পড়েন নি। বুখারীর 5262 দেখে আসুন।
হিন্দু ধর্মে নারীর বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে- “নারীকে অবিবাহিতা অবস্থায় পিতা রক্ষা করবে, বিবাহ পরবর্তী সময়ে স্বামী, বৃদ্ধাবস্থায় পুত্র। নারী কখনও স্বাধীন হতে পারে না” (মনু সংহিতা, 9:3)। বক্তব্যটি রয়েছে মনু সংহিতার 4:148 এও। যেখানে বলা হচ্ছে যে, “বাল্যকালে নারী পিতার অধীনে থাকবে, বিবাহিত অবস্থায় স্বামীর অধীনে, আর স্বামীর মৃত্যু হলে পুত্রদের অধীনে। নারী স্বাধীন হওয়ার যোগ্য নয়”।
তবে শুধু নারীর নয়, হিন্দু ধর্ম মুতাবিক- পুরুষদেরও এই অধিকার নেই। এজন্য তৎকালীন ভারত সরকারকে 1955 তে “হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট” পাশ করতে হয়, যেন 2 জন মানুষ ও 2 টি পরিবার বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে। তারপর হিন্দু নারী ও পুরুষরা বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার পায়।