বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে পড়া শুরু করছি, যিনি সীমাহীন দয়ালু এবং সীমাহীন করুণাময়।
নাযিল : মাক্কাহ, আয়াত : 30 টি।
সমস্ত ধরণের শক্তিই আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
67:1 নং আয়াহ : কল্যাণময় (তিনি), যার ইয়াদা (হাতে/ নিয়ন্ত্রণে) রয়েছে শক্তি/ এনার্জি [18:39, 64:1]। আর তিনি সমস্ত কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
■ মহাবিশ্ব প্রথমে প্রাণ ছিল না। ■ ইহজীবন আমাদের জন্য পরীক্ষা।
67:2 নং আয়াহ : যিনি প্রথমে সৃষ্টি করেছেন প্রাণহীন বস্তু, পরে জীবন। তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করে [18:7] দেখিয়ে দিতে পারেন যে, তোমাদের মধ্যে কর্মে কে [67:23, 76:3] উত্তম। এবং তিনি শক্তিশালী ও মহা ক্ষমাশীল।
# অনেকে বলেন- আল্লাহ তো জানেন কে জান্নাতী ও কে জাহান্নামী, তাহলে পরীক্ষার প্রয়োজন কোথায়?? সরাসরি জান্নাতে বা জাহান্নামে দেন নি কেন?? উত্তরটা সহজ- যাকে জান্নাতে দেওয়া হবে, সে তো খুশি হয়ে মেনে নেবে। আর যাকে জাহান্নামে দেওয়া হবে, সে কি তা মেনে নেবে??
সে তখন এটাই বলবে- আল্লাহ আমি তো কোনও অসৎ কর্মই করি নি, তাহলে কোনও কারণে আমি জাহান্নামে যাচ্ছি?? এজন্য আল্লাহ বলেছেন- “তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করে দেখিয়ে দিতে পারেন যে, তোমাদের মধ্যে কর্মে কে উত্তম”।
■ বায়ুমন্ডলের স্তর 7 টি। ■ আল্লাহর সৃষ্টি নির্ভুল।
67:3 নং আয়াহ : যিনি বায়ুমন্ডলে সৃষ্টি করেছেন 7 টি স্তর [23:17, 2:29]। আপনি রহমানের সৃষ্টিতে ভুলত্রুটি খুঁজে পাবেন না [20:52]। এতএব আপনি দৃষ্টিশক্তির ব্যবহার করুন, কোনও ভুলত্রুটি/ অসঙ্গতি দেখতে পাচ্ছেন কি??
আল্লাহর সৃষ্টি থেকে ভুল/ অসঙ্গতি বের করার চ্যালেঞ্জ।
67:4 নং আয়াহ : আবারও দৃষ্টিশক্তির ব্যবহার করুন, বারবার দৃষ্টির ব্যবহার করুন। সে দৃষ্টি ব্যর্থ হয়ে আপনার কাছেই ফিরে আসবে। এবং তা (চোখ) ক্লান্ত হয়ে পড়বে।
পৃথিবী গ্ৰহাণু বেল্ট দ্বারা ঘেরা।
67:5 নং আয়াহ : অবশ্যই আমরা পৃথিবীর আশেপাশের সৌর জগতকে চকচকে বস্তু [37:6-10] দ্বারা ঘিরে রেখেছি। আমরা তার (গ্ৰহাণুর) ব্যবহার করি পাথর নিক্ষেপের উপকরণ হিসাবে শাইত্বানদের তাড়াবার [72:8-10] জন্য। আর আমরা প্রস্তুত করছি তাদের জন্য দাউদাউ করে জ্বলা আগুনের শাস্তি।
আল্লাহকে অস্বীকারের পরিণতি।
67:6 নং আয়াহ : আর যারা তাদের প্রভুকে অস্বীকার করে [82:9], তাদের জন্য প্রস্তুত থাকবে জাহান্নামের শাস্তি। এবং তা ফিরে আসার জন্য খুবই নিকৃষ্ট স্থান [98:6]।
জাহান্নাম থেকে বিকট শব্দ বের হবে।
67:7 নং আয়াহ : যখন তার (জাহান্নামের) মধ্যে তাদেরকে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা শুনবে তার (জাহান্নামের) বিকট শব্দ [25:12, 50:30]। এবং তা উদ্বেলিত হতে থাকবে।
জাহান্নামীদের প্রতি ফেরেস্তাদের প্রশ্ন।
67:8 নং আয়াহ : (জাহান্নাম) ফেটে পড়ার উপক্রম হবে। যখনই তার মধ্যে কোনও দল নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার (জাহান্নামের) রক্ষীরা তাদের জিজ্ঞাসা করবে- “তোমাদের কাছে [6:130, 39:59] কি কোনও সতর্ককারী [39:71] আসে নি” [40:50]।
জাহান্নামীদের উত্তর।
67:9 নং আয়াহ : (তখন জাহান্নামীরা) বলবে- “হ্যাঁ, অবশ্যই আমাদের কাছে এসেছিলেন [23:106] সতর্ককারী [39:71]। তবে আমরা তাদেরকে অস্বীকার করেছি”। এও বলেছিলাম- “আল্লাহ কোনও কিছুই নাযিল করেন নি, বরং তোমরা ১ (সতর্ককারীরা/ রাসুলরা) মারাত্মক বিভ্রান্তির মধ্যে আছো”।
১ সবই তো একবচনে চলছিল, হঠাৎ বহুবচন কেন?? এটা কোনও ব্যাকারণগত ভুল নয়, বরং সৌন্দর্য্য এবং আরবি বাক রীতি। কিভাবে?? প্রতিটা রাসূলের বক্তব্য ছিল একই (16:36, 21:25)। তাই একজন = সমস্ত রাসুল, বিষয়টি একই। এজন্য তুমি না বলে ‛তোমরা’ বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে এরকম উদাহরণ সর্বত্রই দেখা যাবে।
জাহান্নামীদের আক্ষেপ।
67:10 নং আয়াহ : আর তারা (জাহান্নামীরা আক্ষেপ করে) বলবে- “যদি আমরা (সতর্ককারীদের কথা) শুনতাম অথবা আমরা আকাল/ মস্তিষ্কের [82:9, 8:22] ব্যবহার করতাম, তাহলে আমরা প্রজ্বলিত আগুনের বাসিন্দা হতাম না”!
# অনেক আলেম উলেমা বলেন- যুক্তি ও বুদ্ধির ব্যবহার করা যাবে না। অথচ এই আয়াহ বলছে- মস্তিষ্কের/ যুক্তি ও বুদ্ধির ব্যবহার ‛না’ করার জন্য জাহান্নামে যেতে হবে।
# আয়াহ আমাদেরকে শেখাচ্ছে- A) বিরোধী হলেও তার বক্তব্য শুনতে হবে। B) মস্তিষ্কের/ যুক্তি ও বুদ্ধির ব্যবহার করতে হবে। তারপর স্বীকার বা অস্বীকারের (39:18 দ্রঃ) বিষয়টি আসবে।
জাহান্নামীরা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে।
67:11 নং আয়াহ : এভাবে তারা তাদের অপরাধ স্বীকার [26:97, 40:11] করতে থাকবে [89:23]। এতএব ধ্বংস হবে [14:17] শুধুমাত্র প্রজ্বলিত আগুনের বাসিন্দারা।
বিরাট প্রতিদান লাভের উপায়।
67:12 নং আয়াহ : নিশ্চয়ই যারা তাদের প্রভুকে না দেখেই ভয় ১ করে, তাদের জন্য থাকবে ক্ষমা এবং (তাদের সৎ কর্মের) বিরাট প্রতিদান।
১ ‛ভয়’ করে বলতে?? কিসের ভয়?? অপরাধ করার সময় এই ‛ভয়’ করা যে, আল্লাহ দেখছেন! এত ইহজীবনে শাস্তি না পেলেও আল্লাহ ছাড়বেন না।
মস্তিষ্ক সমূহের অবস্থা আল্লাহ জানেন।
67:13 নং আমাহ : আর তোমরা তার (আল্লাহর থেকে) তোমাদের কথা গোপন করো কিংবা প্রকাশ করো, নিশ্চয়ই তিনি তোমাদের মস্তিষ্ক সমূহের [50:16] অবস্থাও জানেন।
আল্লাহ তার সৃষ্টি সম্পর্কে পূর্ণ অবগত।
67:14 নং আয়াহ : তিনি কি জানবেন না, অথচ তিনিই সৃষ্টি [23:17] করেছেন?? তিনি অতি সুক্ষ্মাতি সুক্ষ্ম বস্তুদর্শী এবং তিনি সমস্ত বিষয়ের পূর্ণ জ্ঞান [85:9] রাখেন।
আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কারের ভবিষ্যৎ বাণী।
67:15 নং আয়াহ : তিনিই (আল্লাহ), যিনি পৃথিবীকে সৃষ্টি করে তোমাদের অধিনস্ত করে দিয়েছেন। যাতে তোমরা তার বিপরীত ১ দিকে পৌঁছাতে পারো এবং তোমরা তা হতে রিযিক/ জীবন উপকরণ উপভোগ করো। আর তারই দিকে পুনরুত্থান।
১ ‛বিপরীত দিক’ বলতে?? বাড়িতে থাকা গ্লোবটা দেখুন, বুঝতে পারবেন। দেখুন- সৌদি আরবের বিপরীত দিকে আমেরিকা মহাদেশের অবস্থান। অর্থাৎ এখানে আমেরিকা মহাদেশে পৌঁছনোর ভবিষ্যৎ বাণী করা হয়েছে।
মহাদেশ পানিতে নিমজ্জিত হতে পারে।
67:16 নং আয়াহ : তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি মহাবিশ্ব [6:3] জুড়ে অবস্থান, তিনি তোমাদেরকে সহ মহাদেশকে নিমজ্জিত [17:68] করবেন না?? অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে/ ভূমিকম্প হতে থাকবে।
গ্ৰহাণু বৃষ্টির মতো বিপদ যে কোনও সময় আসতে পারে।
67:17 নং আয়াহ : অথবা তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি মহাবিশ্ব জুড়ে অবস্থান [2:115, 2:255], তিনি তোমাদের উপর গ্ৰহাণু বৃষ্টি [17:68, 12:82] পাঠাবেন না?? তখন তোমরা জানতে পারবে যে, কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী!
মিথ্যা অপবাদ ছিল প্রত্যেক রাসূলের সঙ্গী।
67:18 নং আয়াহ : এবং তাদের পূর্ববর্তীরাও (রাসুলদের প্রতি) মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিল। সুতরাং (দেখুন) কেমন ছিল (মিথ্যা অপবাদের জন্য) আমার প্রতিক্রিয়া!
বিমান শূন্যে ওড়ার/ ভেসে থাকার টেকনোলজি।
67:19 নং আয়াহ : তারা কি লক্ষ্য করে না বিমান সমূহের প্রতি যে, কিভাবে তাদের উপর ওড়ে?? তা ডানা মেলে থাকে এবং (সামনের দিক) উপরে ১ থাকে। দয়াময় ছাড়া অন্য কেউ তাদের অবস্থানে তাদেরকে ভাসিয়ে রাখতে পারবে না। নিশ্চয়ই তিনি সমস্ত কিছুর উপর দৃষ্টি রাখেন।
১ বলা হয়ে থাকে- বিমান শূন্যে উড়তে পারে মূলত তার ডানার জন্যেই। শূন্যে যেতে ও মাটিতে ফিরে আসতে সাহায্য করে বিমানের লেজে থাকা এলিভেটর। বিমানকে ডানে ও বামে ঘুরতে সাহায্য করে লেজে থাকা রুডার। বিমানকে ডানে ও বামে কাত হতে সাহায্য করে লেজে থাকা আইলারনস। আর বিমানকে গতি দেওয়ার জন্য থ্রাষ্ট প্রদান করে ইঞ্জিন।
তবে বিমান শূন্যে ভেসে থাকে মূলত তার ডানার জন্যেই। পবিত্র কুরআন তা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করে রেখেছে আজ থেকে 1500 বছর পূর্বেই। অর্থাৎ বিমান তৈরির প্রায় 1400 বছর পূর্বেই।
# বিমান সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আরও কিছু আয়াতে কথা বলা হয়েছে। যেমন 36:42 এ। তবে বিমান কিভাবে ওড়ে, তা এখানেই বলা হয়েছে। আরও দেখতে পারেন 22:27 এ।
কাফিররা শুধুমাত্র ধোকার মধ্যে পড়ে আছে।
67:20 নং আয়াহ : অথবা দয়াময় ছাড়া তোমাদের কি এমন কোনও সৈন্যবাহিনী আছে, যে তোমাদেরকে (তার বিরুদ্ধে) সাহায্য করতে পারে?? কাফিররা শুধুমাত্র ধোকার মধ্যে পড়ে রয়েছে।
মানুষ কেন সত্য পরিহার করে??
67:21 নং আয়াহ : অথবা যদি তিনি তার পক্ষ থেকে রিযিক/ জীবন উপকরণ দেওয়া বন্ধ করে দেন, তাহলে এমন কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক/ জীবন উপকরণ দেবে?? বরং সত্য হল- (মূল সত্য নিজেদের বিরুদ্ধে যাওয়ার) কারণে তারা গোঁড়ামি ও সত্য পরিহারে বদ্ধপরিকর।
কে সঠিক পথের পথিক??
67:22 নং আয়াহ : যে ব্যক্তি মুখের উপর ভর [17:97, 54:48] দিয়ে হাঁটে, সেই কি অধিক সত্য পথপ্রাপ্ত, নাকি সেই ব্যক্তি, যে সোজা হয়ে চূড়ান্ত সফলতার পথে চলে??
বাস্তবিকই মানুষ অকৃতজ্ঞ।
67:23 নং আয়াহ : বলুন- “তিনিই (আল্লাহ), যিনি তোমাদেরকে অস্তিত্বে এনেছেন এবং তোমাদেরকে প্রদান করেছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও চিন্তাশক্তি। কিন্তু তোমরা খুব কমই কৃতজ্ঞ” [40:67, 100:6]।
ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমেই মানব জাতি সুরক্ষিত হয়েছে।
67:24 নং আয়াহ : বলুন- “তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে (বংশ বিস্তারের মাধ্যমে) ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং পরবর্তীতে (তোমাদেরকে) তার দিকেই একত্রিত করা [69:16-17, 84:1-5] হবে।
# ‛ছড়িয়ে দেওয়া’ কি কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য?? হ্যাঁ। প্রশ্ন হবে- কিভাবে?? মানবজাতি যদি নিদিষ্ট স্থানে বসবাস করত, তাহলে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ত। কেননা, বড় ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগে অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হোত না।
ধরুন- আজ 10 × 10 কিমির কোনও গ্ৰহ। পৃথিবীকে আঘাত করে, তবুও মানবজাতি বিলুপ্ত হবে না। কেননা, মানবজাতি পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু একত্রিত থাকলে বিলুপ্তির সম্ভাবনা থাকত।
মূমীন ও মুসলীমদের প্রতি কাফিরদের প্রশ্ন।
67:25 নং আয়াহ : আর তারা কি বলে যে, “এই (একত্রিত করণের) প্রতিশ্রুতি কখন পূরণ [7:187] হবে, (বলো) যদি তোমরা (মূমীন ও মুসলিমরা) হয়ে থাকো সত্যবাদী”??
কিয়ামাতের জ্ঞান শুধু আল্লাহর কাছেই রয়েছে।
67:26 নং আয়াহ : বলুন- “মূলতঃ এ বিষয়ের জ্ঞান শুধু আল্লাহর কাছেই রয়েছে [20:15]। আর মূলতঃ আমি একজন সতর্ককারী” (88:21-22]।
মানুষ একদিন জানবে- কিয়ামতের দিন ক্ষণ।
67:27 নং আয়াহ : অতঃপর যখন তারা তা (একত্রিত করণ) আসন্ন দেখবে/ জানবে [69:16-17], তখন সত্য অস্বীকার কারীদের মুখমন্ডল গুলো বিবর্ণ [3:106] হয়ে যাবে। তখন তাদের বলা যাবে- “এটাই সেই প্রতিশ্রুতি, যা তোমরা (দেখার জন্য) দাবি করতে”!
মুসলিমদের ক্ষতিতে যারা খুশি হয়, তারা বিষয়টি নিয়ে ভাবুক।
67:28 নং আয়াহ : বলুন- “তোমরা কি ভেবে দেখেছ যে, যদি আল্লাহ আমাকে ও যারা আমার সঙ্গে আছে, তাদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন (তাতে তোমাদের লাভটা কি)?? আর সত্য অস্বীকারকারীদেরকে [67:20] কষ্টদায়ক শাস্তি থেকে কে বাঁচাবে”??
ইসলাম বিদ্বেষী/ নাস্তিক পরাজয় স্বীকার না করলে বলতে হবে।
67:29 নং আয়াহ : বলুন- “তিনি (আল্লাহ) সীমাহীন দয়ালু [1:2], আমরা তাকে স্বীকার করেছি এবং তারই উপর নির্ভর [65:3] করি। তোমরা খুব শীঘ্রই জানতে পারবে যে, কে ছিল সুস্পষ্ট গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের মধ্যে!
পৃথিবীর পানির ভান্ডার উবে যেতে পারে।
67:30 নং আয়াহ : বলুন- “তোমরা কি ভেবে দেখেছো যে, যদি সমস্ত পানি (হাইড্রোজেন চেন ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য) উবে যায়, তোমাদের কাছে (আল্লাহ ছাড়া) কে এনে ১ দেবে পানির [23:18, 80:25] বহমান ধারা??
১ ‛এনে দেবে’ বলতে?? আসলে পানি পৃথিবীতে ছিল না। ধূমকেতুর মাধ্যমে পানি পৃথিবীতে এসেছে। তাই বলা হচ্ছে যে, “তোমাদের কাছে (আল্লাহ ছাড়া) কে এনে দেবে পানির বহমান ধারা”?? দেখুন 27:60 আয়াহ।