বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে পড়া শুরু করছি, যিনি সীমাহীন দয়ালু এবং সীমাহীন করুণাময়।
নাযিল : মাদীনাহ, আয়াত : 3 টি।
মাক্কা বিজয়ের ভবিষ্যৎ বাণী।
110:1 নং আয়াহ : যখন আল্লাহর সাহায্য ও (মাক্কা) বিজয়ের আগমন হবে [48:21, 37:173],
# এই সূরাহ ও এই আয়াহ নাযিল হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই এই ভবিষ্যৎ বাণী পূর্ণ হয়ে যায়। আর এই ভবিষ্যৎ বাণী পূর্ণতা পাওয়ার অর্থ হল পবিত্র কুরআন সত্য (41:53)।
ইসলাম ছড়িয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ বাণী।
110:2 নং আয়াহ : আপনি দেখবেন যে, মানুষ দলে দলে আল্লাহর দীনের মধ্যে প্রবেশ [9:33, 48:28, 61:9] করছে।
# এটাও ছিল একটা ভবিষ্যৎ বাণী। যা মাক্কা বিজয়ের কিছু দিন আগে এবং মাক্কা বিজয়ের পরে পূর্ণ হয়ে ছিল। হু হু করে মানুষ ইসলাম গ্ৰহণ করতে শুরু করেছিল। এছাড়াও অনেক গোত্রই ইসলাম পূর্ণ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অপেক্ষা করছিল। তারা মনে করছিল- “যদি ইসলাম পূর্ণ প্রতিষ্ঠা লাভ করে, নাবী মুহাম্মাদ (সা) এর নিজ এলাকার (মক্কার) মানুষরা ইসলাম গ্ৰহণ করে, তাহলে নাবী মুহাম্মাদ (সা) সত্য নাবী। এবং তখন আমরাও ইসলাম গ্ৰহণ করব”। অর্থাৎ তারা মাক্কা বিজয়ের অপেক্ষা করছিল। মাক্কা বিজয়ের মাধ্যমে ইসলাম পরিপূর্ণ ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মানুষ দলে দলে ইসলাম গ্ৰহণ করতে শুরু করে। এমন একটি হাদীশ হল বুখারীর কিতাবুল মাগাজীর 4302 নং হাদীশ।
নাবী (সা) কে আল্লাহর প্রশংসা সহ পবিত্রতা বর্ণনার নির্দেশ।
110:3 নং আয়াহ : (বিজয়ের পর রিসালাতের দায়িত্ব শেষ, তখন শুধু) আপনার প্রভুর প্রশংসা সহ পবিত্রতা বর্ণনা করবেন এবং ইসতিগফার/ ক্ষমা প্রার্থনা করবেন [40:55, 47:19]। নিশ্চয়ই তিনি তাওবা কবুল করেন।
# আল্লাহর প্রশংসা সহ পবিত্রতা বর্ণনায় নাবী (সা) বলতেন/ বলতে বলেছেন- “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজ্বীম” (বুখারী, হাদীশ 6406)।