
হোসেন কুরানী’র জন্ম বৃত্তান্ত।
হোসেন কুরানী তার মাতা পিতার বড় সন্তান। যদিও হোসেন কুরানী’র আগে তার এক দাদা জন্মে ছিলেন। কিন্তু 3 মাস বয়সে মারা যান। তাই এই হিসাবে হোসেন কুরানী তার মাতা পিতার বড় সন্তান।
যদিও হোসেন কুরানী’র দাদার মৃত্যুর 6-7 বছর পর হোসেন কুরানীর জন্ম হয়। এই 6-7 বছর সন্তান হচ্ছিল না, এজন্য হোসেন কুরানী’র পিতা হোসেন কুরানী’র মায়ের উপর মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো।
হোসেন কুরানীর মা এই সময় গুলোতে শুধুই আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেন- “আল্লাহ এমন সন্তান দিন, যে সন্তান আমার সমস্ত দুঃখ কষ্ট মুছে দেবে এবং দুনিয়ায় আমার মুখ উজ্বল করবে। ছেলে সন্তান দিতে হবে না, কমপক্ষে একটা মেয়ে সন্তান দিন। যেন এই অত্যাচার/ নির্যাতন থেকে বাঁচতে পারি”।
সন্তান হচ্ছিল না, এজন্য হোসেন কুরানী’র মা লোকের পরামর্শ মতো শুধু মাজারে মাজারে সন্তান চেয়ে বেড়াতেন এবং মানত করতেন (হোসেন কুরানী বড় হওয়ার পর তার মাকে ইসলাম শিখিয়েছিলেন, তখন তার মা শিরক করার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন)। আর আল্লাহ যেন তার মাকে ক্ষমা করে দেন- আমীন।
তারপর একদিন হোসেন কুরানী’র মা স্বপ্নে দেখলেন যে, কোনও একজন বলছেন- “এই নাও খেঁজুর। এটা খাও তোমার দুঃখ কষ্ট আল্লাহ দূর করে দেবেন”। হোসেন কুরানী’র মা হোসেন কুরানী’র নানী মাবুদা বেগমকে (বর্তমানে মৃত) স্বপ্নের কথা জানান। হোসেন কুরানী’র নানী তার মামাতো ভাই মৌলানা সবুর মল্লিককে (বর্তমানে মৃত) স্বপ্নের বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন-“সাবেরার সন্তান হবে, সম্ভবত পুত্র সন্তান হবে”। হোসেন কুরানী’র মা এ খবর শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন। কিছু দিনের মধ্যেই বুঝতে পারেন যে, তিনি গর্ভবতী।