বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে পড়া শুরু করছি, যিনি সীমাহীন দয়ালু এবং সীমাহীন করুণাময়।
নাযিল : মাক্কাহ, আয়াত : 7 টি।
কে ইসলামকে মিথ্যা মনে করে??
107:1 নং আয়াহ : আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে দীন/ ইসলামকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে (যদিও সে বাহ্যিক ভাবে ধর্মকর্ম করে)??
যে ইয়াতীমের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে।
107:2 নং আয়াহ : সে ঐ ব্যক্তি, যে ইয়াতীম/ অনাথকে ধমক দেয় [93:9]।
ভিন্ন অনুবাদ : সে ঐ ব্যক্তি, যে ইয়াতীম/ অনাথের সঙ্গে কঠোর ব্যবহার/ দুর্ব্যবহার করে [93:9]।
যে খাদ্য দানে উৎসাহিত করে না।
107:3 নং আয়াহ : এবং নিরুপায় গরীবকে খাদ্য [57:24] দিতে উৎসাহিত (১) করে না [89:18]।
১) প্রশ্ন হবে- পবিত্র কুরআন অর্থ/ টাকা দানে উৎসাহিত করে না কেন?? উত্তর সহজ- অর্থ/ টাকা পেতে ধনীও গরীব সাজবে। কিন্তু ‛খাদ্য দান’ শুধুমাত্র সে’ই গ্ৰহণ করবে, যার প্রয়োজন।
যে সমস্ত নামাজীরা ধ্বংস হবে।
107:4 নং আয়াহ : এতএব ধ্বংস হবে সেই সমস্ত মুস্বাল্লী/ নামাজীরা,
107:5 নং আয়াহ : যারা তাদের স্বালাত/ আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব সম্পর্কে উদাসীন [70:23]।
ভিন্ন অনুবাদ : যারা তাদের স্বালাত/ আল্লাহর বিধান সম্পর্কে উদাসীন [70:23]।
তারাও, যারা ধার্মিক সাজে।
107:6 নং আয়াহ : যারা লোক দেখানোর জন্য ধর্মকর্ম করে [44:49]।
যাদের মধ্যে সামান্য মানবতাও নেই।
107:7 নং আয়াহ : আর একেবারে ছোটখাটো বিষয়েও কাউকে সাহায্য (১) করে না [31:18, 47:22]।
১) মনবতাহীন ব্যক্তি কখনও ধার্মিক (মূমীন ও মুসলীম) হতে পারে না। সে যতই বাহ্যিক ভাবে ধর্মকর্ম করুক। দীন/ ইসলাম থেকে মানবতা বাদ দিয়ে শুধুই ধর্মকর্ম করার অর্থ হলো- ইসলামকে মিথ্যা মনে করা বা দীন/ ইসলাম অস্বীকার করা। শেষে একটি হাদীস দেখুন- “দীন/ ইসলাম হল : শুধুই মানব কল্যাণ, শুধুই মানব কল্যাণ, শুধুই মানব কল্যাণ” (নাসাঈ, হাদীশ 4199)।
এই প্রসঙ্গে তিনটি হাদীশ রয়েছে, যা সীমাহীন গুরুত্ব বহন করে। হাদীশ তিনটি দেখুন। Promise করছি- নাবী (সা) এর প্রেমে পড়ে যাবেন। ক) “যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না”(মুসলীম, হাদীশ 2319)। খ) “যে আল্লাহর সমস্ত সৃষ্টির প্রতি দয়া করে না, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার প্রতিও দয়া করা হয় না”(বুখারী, হাদীশ 6013)। গ) “তোমরা গ্ৰহবাসীদের উপর দয়া কর। যিনি মহাবিশ্ব জুড়ে অবস্থান করছেন, তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন”(আবুদাউদ, হাদীশ 4941)।
সালা মুন আলাইকুম,
ছোট্ট ছোট্ট সুরাগুলো যদি বাংলা উচ্চারন করে দিয়ে দিতেন…সবসময় যা আমরা নামাজে পড়ি..(.১০০ থেকে ১১৪ ) নং সুরা পরযন্ত… এটা শুধু আমার মতামত ভাই..